শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
গফরগাঁওয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেললাইন অবরোধ ও মানববন্ধন আমতলীতে ১.৫ কেজি গাঁজাসহ ২জন গ্রেফতার কুয়াকাটায় কম্বলে মোড়ানো যুবকের মরদেহ বাউফলে জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাইকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন বরগুনায় সমন্বয়ক পরিচয়ে কোটি কোটি টাকার কাজ বাগিয়ে নিলো যুবক গফরগাঁওয়ের হারানো সাকিরের সন্ধান চান তার পরিবার বরগুনায় সমন্বয়ক পরিচয় দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে মারধর মানুষ পিআর পদ্ধতি বোঝেনা, জনগন ভোট দিতে চায়: আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বিএনপির ক্ষমতায় গেলে ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান করা হবে-আমীর খসরু জাতির অনেক অর্জনের মধ্যে জুলাই বিপ্লব একটি অর্জন-রিজভী

দেশে শীতে ৫৬ জনের মৃত্যু এবং মোট আক্রান্ত  ১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৫৫ জন

দৈনিক দিনের সময় ডেস্ক: ঘরে-বাইরে সর্বত্রই হাড় কাঁপানো শীত। অনেক জেলায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। অনেক জেলায় সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও সূর্যের দেখা মিলছে না। বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। ঘরের বাইরে গেলে শরীরে কাঁপন সৃষ্টি হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগব্যাধির প্রকোপ। রোগীর চাপে হাসপাতালগুলোতে ঠাঁই হচ্ছে না। চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে মেঝেতে। কোনো কোনো হাসপাতালে শয্যার চেয়ে দ্বিগুণ ও তিনগুণ রোগী ভর্তি হচ্ছেন। ঠান্ডার কারণে মারা যাচ্ছে অনেকেই। ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

বিশেষ করে সর্দি-জ্বর, নিউমোনিয়া, রেসিপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (এআরআই) বা শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ও রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। রোগের ধরন ও তীব্রতা অনুসারে অনেকেই আবার ভর্তি হচ্ছেন। যাদের বেশিরভাগই বয়স্ক ও শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, গত দুই মাসে শীতজনিত নানা রোগে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৫৬ জনের মৃত্যু এবং মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৫৫ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট ৮৯২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ডায়রিয়ায় ৭২৭ জন এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৫ জন।

রাজধানীর মহাখালীর আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) বা কলেরা হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯০০ রোগী ভর্তি হচ্ছেন। যার ৮০ শতাংশই শিশুর বয়স শূন্য থেকে দুই বছরের মধ্যে।

একই অবস্থা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটসহ কয়েকটি হাসপাতালে। এসব হাসপাতালে নির্ধারিত শয্যার চেয়ে রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় ঠাঁই হয়েছে মেঝেতে। বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগেও রোগী বেড়েছে কয়েকগুণ। আর অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স ও চিকিৎসকরাও।

চিকিৎসকরা জানান, শীতে এমনিতেই নানা রোগব্যাধির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এবারও তাই পাচ্ছে। ফলে হাসপাতালগুলোতে চাপ বেড়েছে। কারণ আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সর্দি-জ্বর, কাশি, গলাব্যথা, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, হাঁপানি, টনসিলাটাইসিস, ব্রংকিওলাইটিস, সাইনোসাইটিস, বাত, আর্থ্রাইটিস, চামড়ার শুষ্কতাসহ বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধি দেখা দেয়। এই সময়ে যাদের রোগ প্রতিরোধ কম যেমন শিশু ও বয়ষ্করা চরম ঝুঁকিতে থাকে। তাই এসব রোগ থেকে সুরক্ষায় শীত এড়িয়ে চলতে হবে। পাশাপাশি জ্বর-সর্দিতে আক্রান্তদের ডেঙ্গু পরীক্ষার পরামর্শ দেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে (এমআইএস) শাখার দেওয়া তথ্য মতে, গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি দুই মাস চার দিনে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৪৫ হাজার ৩৮৭ জন। অর্থাৎ দৈনিক ৭০৯ জনের বেশি রোগী দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আর আক্রান্তদের মধ্যে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে। এরপরই রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে ১০ জন।

আবার একই সময়ে দেশজুড়ে রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৮ জন। এ হিসাবে দৈনিক ১ হাজার ৮৪৩ রোগী হাসপাতালে সেবা নিয়েছেন। আর এ সময় একজন মারা গেছেন। ডায়রিয়ায় আক্রান্তদের মধ্যে সবথেকে বেশি খুলনা বিভাগে ২১ হাজার ৬৪ জন। এর পরে রংপুর বিভাগে ২০ হাজার ৭০৫ জন। তবে বেসরকারি হাসপাতালে কতজনের মৃত্যু কিংবা আক্রান্ত হয়েছেন তার কোনো পরিসংখ্যান এমআইএস শাখায় নেই। ফলে বিপুলসংখ্যক রোগীর তথ্য হিসাবের বাইরে রয়ে গেছে।

কলেরা হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত সাত দিনে মোট ৬ হাজার ১৬৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ২৮ ডিসেম্বর ৮৯১ জন, ২৯ ডিসেম্বর ৮২৬ জন, ৩০ ডিসেম্বর ৯১৩ জন, ৩১ ডিসেম্বর ৮৮৪ জন এবং ১ জানুয়ারি ৮৫০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী ও তাদের স্বজনরা ভিড় করছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবার যাদের অবস্থা জটিল তাদের ভর্তি করা হচ্ছে। প্রত্যেক শিশুর সঙ্গে আছেন তার মা। কারও শয্যার পাশে মায়ের সঙ্গে বাবা বা অন্য আত্মীয়স্বজন আছেন।

বৃহস্পতিবার গাজীপুর থেকে এক বছরের মেয়েকে নিয়ে ভর্তি হয়েছেন মা মরিয়ম আক্তার। তিনি সময়ের আলোকে বলেন, প্রথমে ঠান্ডা-জ্বর ছিল। পরে শুরু হয় পাতলা পায়খানা। তখন ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাওয়াই। কিন্তু অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। পরে এখানে এসে ভর্তি করাই। এখন কিছুটা সুস্থ আছে।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গত বছরের চেয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছেন। আবার কিছু শিশুর বেশ খারাপ পরিস্থিতি নিয়ে আসছে। কারণ শীতকালে শিশুদের ডায়রিয়ার মূল জীবাণু রোটাভাইরাস। কিন্তু নিয়ম না মেনে ভুল পদ্ধতিতে স্যালাইন খাওয়ানোর ফলে শিশুরা পানি শূন্যতার কারণে দুর্বল হয়েছে। ফলে রক্তে মাত্রাতিরিক্ত সোডিয়াম নিয়ে বা হাইপারনেট্রিমিয়া লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। তাই অনেক শিশুকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। আর নভেম্বর পর্যন্ত ১৫টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে আইসিডিডিআরবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে আইসিডিডিআরবির অ্যাসিট্যান্ট সায়েন্টিস্ট ডা. শোয়েব বিন ইসলাম সময়ের আলোকে বলেন, স্বাভাবিক সময়ে এখানে গড়ে ২৫০-৩০০ রোগী ভর্তি হয়ে থাকে। কিন্তু এখন রোগীর ভর্তির গড় ৮০০ ছাড়িয়েছে। কখনো ৯শর বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছেন। তিনি বলেন, আমরা যেসব রোগী পাচ্ছি তার বেশিরভাগই হচ্ছে পানিবাহিত ডায়রিয়া রোগী। বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণির মানুষ যারা বেশিরভাগ সময়ে অনিরাপদ পানি পান ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে থাকেন। এতে ফুড পয়জনিং থেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে এই রোটাভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যেই রোগী সুস্থ হয়ে যায়। কিন্তু দেখা গেছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে অভিভাবকরা সঠিক সময়ে খাবার স্যালাইন খাওয়ান না। ফলে অনেক সময় রোগীর জটিল অবস্থা তৈরি হয়। আবার অনেক সময় মৃত্যুও হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের ডায়রিয়া হলে অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টা অভিভাবকরা গুরুত্বের সঙ্গে নেন না। তাই ডায়রিয়া হলে দুটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবেÑএকটি সঠিক নিয়মে এবং পরিমাণ মতো খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। বাচ্চার বয়স অনুযায়ী পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়াতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে এমনিতেই রোগী সুস্থ হয়ে যাবে। তবে হেরফের হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই সতর্ক থাকতে হবে।

ঢামেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং শীতজনিত নানা ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ে রোগীরা ভর্তি হচ্ছেন। শীতের প্রকোপ বাড়ায় প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর চাপ। ভর্তিচ্ছু রোগীরা সিট না পেয়ে হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝে ঠাসাঠাসি করে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। একই বিছানায় দুজন করে রোগী রাখা হয়েছে। নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগ এবং শিশু বিভাগে ধারণক্ষমতার বেশি রোগী ভর্তি হওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের। হাসপাতালের জরুরি ও বহির্বিভাগে সব বয়সি রোগীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

ঢামেক শিশু ওয়ার্ডের ২০৮ নং রুমে কয়েকজনকে দেখা গেছে, নিউমোনিয়া আক্রান্ত বাচ্চাকে অক্সিজেন দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের একজন পারভিন বেগম। তিনি জানান, তাদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। এখানে তার তিন বছরের শিশুকে তিন দিন ধরে ভর্তি রয়েছেন। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে নিউমোনিয়া হয়েছে।

একই অবস্থা বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে। দৈনিক হাজারখানেক রোগী আসছে। অভিভাবকদের বেশিরভাগই শিশুর সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, ব্রংকিওলাইটিস উপসর্গের কথা বলছেন।

শীতজনিত কারণে রোগীর চাপ বাড়ছে উল্লেখ করে ঢামেক হাসপাতালের চিকিৎসক রুবায়েত ফেরদৌস সময়ের আলোকে বলেন, শীতের কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে রোগীর চাপ কয়েকগুণ বেশি। ঠান্ডার এই সময়ে বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের রক্ষা করতে হলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ঠান্ডা যাতে না লাগে সে জন্য পর্যাপ্ত শীতের কাপড় পরাতে হবে, মাথা ঢেকে রাখতে হবে, বাড়ির বাইরে অহেতুক ঘোরাঘুরি করা যাবে না। অসুস্থ হলে তাজা ফলমূলের রস, শাকসবজি এবং পুষ্টিকর খাবার বেশি করে খাওয়াতে হবে। তবে ঠান্ডা, জ্বর কিংবা কাশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো যাবে না।

আবহাওয়া : টানা প্রায় দুদিন পর শনিবার ঢাকার আকাশে রোদের হাসি দেখা গেছে। শুধু ঢাকাই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে ঘন কুয়াশা কমতে শুরু করে। দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রাও কিছুটা বেড়েছে। তবে রাজধানীতে তাপমাত্রা সামান্য কমেছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি কমবেশি এমনটাই থাকতে পারে। এরপর দেশের অন্তত তিন বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এই বৃষ্টির পর দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে। পরে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে।

শুক্রবার দেশের অন্তত ১৩ জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার এখানে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আবহাওয়া অধিদফতরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, শুধু রাজধানী নয়, দেশের প্রায় বেশিরভাগ অঞ্চল থেকে প্রায় তিন দিন ধরে চলা যে ঘন কুয়াশা, সেটি অনেকটা কমে গেছে। সেই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের বিস্তৃতিও কমে গেছে। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত এমন অবস্থা চলতে পারে। আগামী মঙ্গল অথবা বুধবার রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এরপর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে। ক্রমে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহের রূপ নিতে পারে।

তিনি জানান, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এ অবস্থায় আজ রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্য রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নদী পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি :বীরমুক্তিযোদ্ধা আইয়ূব আলী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক :সাংবাদিক এ.আর.এস.দ্বীন মোহাম্মদ
প্রধান কার্যালয় : বুরোলিয়া তালুকদার পাড়া, মোশারফ প্লাজা ৩য় তলা ,গাজীপুর  সদর, গাজীপুর   ।
মোবাইল: ০১৭৪৬৪৯৪৬১০,০১৯৯৫৯০৮০৬৩,০১৯৮৫১৮৫৮৮৪
কারিগরি সহযোগীতায় : দ্বীনিসফট